অবশেষে শিক্ষামন্ত্রী হচ্ছেন ডা. দিপু মনি

অবশেষে শিক্ষামন্ত্রী হচ্ছেন ডা. দিপু মনি । চাঁদপুর সদর থেকে নির্বাচিত ডা. দিপু মনি গত মেয়াদে সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ হওয়ায় এবার তার ভাগ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পড়তে পারে বলে সূত্রে জানা গেছে।

ডা. দীপু মনি ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দের ৮ ডিসেমম্বর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা এম এ ওয়াদুদ ও মাতা রহিমা ওয়াদুদ। এম এ ওয়াদুদ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জন্মকালীন সদস্য, ভাষা আন্দোলনের বীর সৈনিক এবং তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের কাউন্সিলে নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

ডা. দীপু মনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস এবং ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে আইন বিষয়ে লেখাপড়া ও ডিগ্রি অর্জন করেন।অবশেষে শিক্ষামন্ত্রী হচ্ছেন ডা. দিপু মনি

বিকাশ একাউন্টে ফ্রি ১৫০ টাকা বোনাস নিয়ে নিন !!নতুন বিকাশ অ্যাপ থেকে নিজের একাউন্ট খুলুন মিনিটেই, শুধুমাত্র জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে। কোথাও যেতে হবে না! আর অ্যাপ থেকে একাউন্ট খুলে প্রথম লগ ইনে পাবেন ১০০ টাকা ইনস্ট্যান্ট বোনাস! - প্রথম বার ২৫ টাকা রিচার্জে ৫০ টাকা ইনস্ট্যান্ট বোনাস Bkash App Download Link

ডা. দীপু মনি ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নপ্রাপ্ত হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম মহিলা পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব প্রাপ্ত হন।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে বিজয়ীরা এরই মধ্যে শপথ নিয়েছেন। সোমবার (৭ জানুয়ারি) তাদের মধ্য থেকে ৪৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী নিয়ে গঠিত হচ্ছে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ গঠনের জন্য রোববার থেকে শপথের ডাক শুরু হয়েছে তাদের। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন। শেখ হাসিনাকে প্রধান করে মন্ত্রিসভার তালিকায় সম্মতি দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।

ইতিমধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে শপথ নেওয়ার জন্য ফোন পেয়েছেন ওবায়দুল কাদের, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, জুনায়েদ আহমেদ পলক, আনিসুল হক, আসাদুজ্জামান খান কামাল, টিপু মুন্সি, জাহিদ হাসান রাসেল, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, নসরুল হামিদ, ড. আব্দুর রাজ্জাক, বীর বাহাদুর উ শৈ সিং, শাহরিয়ার আলম, শ ম রেজাউল করিম, এনামুল হক শামীম, আ হ ম মুস্তফা কামাল, ডা. দীপু মণি, এম এ মান্নান, গোলাম দস্তগীর গাজী, তাজুল ইসলাম, মন্নুজান সুফিয়ান, এ কে এম আব্দুল মোমেন, মতিয়া চৌধুরী, ইমরান আহমেদ, সাইফুজ্জান চৌধুরী জাবেদ, সাধন চন্দ্র মজুমদার,শাহাব উদ্দিন, মুরাদ হাসান, আশরাফ আলী খান খসরু,ডা. এনামুর রহমান, আ স ম ফিরোজ, র আ ম ওবায়দুল মুক্তাদিন চৌধুরী, মোস্তফা জব্বার,আ ক ম মোজাম্মেল হক, ড. হাছান মাহমুদ, স্বপন ভট্টাচার্য।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টায় বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেবে। এর আগে নতুন মন্ত্রিসভায় কারা স্থান পাচ্ছেন, তাদের নাম জানাতে রোববার বিকেল ৫টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব
নতুন মন্ত্রিসভায় কারা স্থান পাচ্ছেন তা জানাতে রোববার (৬ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। প্রথমবারের মতো শপথের আগে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হচ্ছে। বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন সোমবার (৭ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় । মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনে ২৯৮ আসনের মধ্যে ২৫৭টিতে জয় পেয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। জোটগতভাবে তারা পেয়েছে ২৮৮ আসন। অন্যদিকে তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপি ও তাদের জোট পেয়েছে মাত্র সাতটি আসন।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এমপিরা ছাড়া বৃহস্পতিবার (৩ জানুয়ারি) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেন।

সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মন্ত্রিসভায় একজন প্রধানমন্ত্রী থাকবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেভাবে নির্ধারণ করবেন, সেভাবে অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন।

তবে মন্ত্রিসভার সদস্যদের সংখ্যার কমপক্ষে দশভাগের ৯ ভাগ সংসদ-সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ পাবেন। সর্বোচ্চ দশভাগের এক ভাগ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্য থেকে মন্ত্রিসভার সদস্য মনোনীত (টেকনোক্র্যাট) হতে পারবেন বলে সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে প্রথমে প্রধানমন্ত্রীকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন। এরপর মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি। শপথের পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নিলে তারাই হবে দেশের নতুন সরকার। শপথ নেয়া পর্যন্ত আগের মন্ত্রিসভা বহাল থাকবে। নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নিলে আগের মন্ত্রিসভা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

২০১৪ খ্রিস্টাব্দের ৫ জানুয়ারি বিএনপির বর্জনের মধ্যেই দশম জাতীয় সংসদের নির্বাচন হয়। ১২ জানুয়ারি গঠিত হয় নতুন মন্ত্রিসভা। তখন শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করে ৪৮ সদস্য বিশিষ্ট নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়। ওই সরকারে প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৯ জন মন্ত্রী, ১৭ প্রতিমন্ত্রী এবং দু’জন উপমন্ত্রী ছিলেন। পরে কয়েক দফা মন্ত্রিসভায় রদবদল আনা হলে শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভার আকার দাঁড়ায় ৫২ সদস্যের। তবে নির্বাচনের আগে টেকনোক্র্যাট চার মন্ত্রী পদত্যাগ করেন।

Related Content