পরীক্ষার এডমিট কার্ড/ রেজিষ্টেশন কার্ড/ একেডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট/ সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে করণীয়

পরীক্ষার এডমিট কার্ড/ রেজিষ্টেশন কার্ড/ একেডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট/ সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে করণীয় কি তা নিয়ে নিম্নে আলোচনা করা হবে।

জেএসসি, এসএসসি , এইচএসসি – পরীক্ষার পেপার্স সমূহ (এডমিট কার্ড/ রেজিষ্টেশন কার্ড/ একেডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট/ সার্টিফিকেট) হারিয়ে/নষ্ট হয়ে গেলে করণীয়ঃ

জিডি 
সর্বোপ্রথম হারিয়ে যাওয়া পেপার্সের জন্য থানায় একটি জিডি (জেনারেল ডাইরী) করতে হবে।
এ সময় সাথে থাকা অন্যান্ন্য পেপার্স সমূহ প্রমান হিসেবে দেখাতে হবে যার মাধ্যমে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আপনার রোল ও রেজিষ্টেশন নম্বর, নাম, পিতা/মাতার নাম, জন্ম তারিখ ইত্যাদি সম্পর্কেরসঠিক ভাবে লিপিবদ্ধ করতে পারে।মূল পেপার্স দেখাতে না পারলে অন্তত ফটোকপি দেখাবেন।
জিডি’র একটি কপি আপনাকে দেয়া হবে।
যে জায়গাই পেপার্স হারাবেন সে জায়গার নিকটবর্তী থানাতেই জিডি করবেন।
[ জিডি করতে কোন টাকা’র প্রয়োজন হয় না ]

বিকাশ একাউন্টে ফ্রি ১৫০ টাকা বোনাস নিয়ে নিন !!নতুন বিকাশ অ্যাপ থেকে নিজের একাউন্ট খুলুন মিনিটেই, শুধুমাত্র জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে। কোথাও যেতে হবে না! আর অ্যাপ থেকে একাউন্ট খুলে প্রথম লগ ইনে পাবেন ১০০ টাকা ইনস্ট্যান্ট বোনাস! - প্রথম বার ২৫ টাকা রিচার্জে ৫০ টাকা ইনস্ট্যান্ট বোনাস Bkash App Download Link

পরীক্ষার এডমিট কার্ড/ রেজিষ্টেশন কার্ড/ সার্টিফিকেট) হারিয়ে গেলে করণীয় পরীক্ষার এডমিট কার্ড/ রেজিষ্টেশন কার্ড/ একেডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট/ সার্টিফিকেট) হারিয়ে গেলে করণীয়

পত্রিকায় বিজ্ঞাপন
থানায় জিডি করার পর আপনার কাজ হলো পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তিঃ প্রদান করা।
এর জন্য আপনাকে দেশে প্রচলিত কোন দৈনিক পত্রিকায় প্রদান করতে হবে, তার জন্য যে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিবেন তাদের অফিসে যোগাযোগ করুন।

দ্বী-নকল আবেদনপত্র সংগ্রহ
বোর্ডের “তথ্য সংগ্রহ কেন্দ্র” হতে দ্বী-নকল সনদ উত্তোলনের জন্য আবেদন পত্র সংগ্রহ করবেন, এছাড়াও বোর্ডের ওয়েবসাইট হতেও এ ফরম সংগ্রহ করে প্রিন্ট করে নিতে পারেন। তা যথাযত ভাবে পূরন করে আপনার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এর প্রধানের সীল সহ সাক্ষর নিবেন।
[ বোর্ডে যেয়ে খুজে লাভ নাই, They are not so cooperative. অনলাইন হতে প্রিন্ট করে নেয়াই শ্রেয়। ]

শিক্ষাবোর্ডে যোগাযোগ
এরপর জিডি কপি ও পত্রিকার বিজ্ঞাপনের পেপার্স কাটিং নিয়ে আপনি যে বোর্ডের অধীনে পরীক্ষা দিয়েছিলেন সে বোর্ডে যোগাযোগ করবেন।
সেখানে অবস্থিত সোনালী ব্যাংক শাখায় বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত দ্বী-নকল ফি প্রদান করে ব্যাংক ড্রাফ্ট করবেন।
এরপর তাদের ইন্সট্রাশন অনুযায়ী যা যা বলে তাই করবেন।
>জিডি কপি
>পেপার কাটিং
>আবেদনপত্র
>ব্যাংক ড্রাফ্ট
সব কিছু জমা দেয়ার পর তারা আপনাকে একটি নির্দিষ্ট সময় দিবে, সে সময়ের পরে যেয়ে দ্বী-নকল পেপার্স উত্তোলন করে নিবেন।

[ ০৩ দিন হতে এক মাসের মধ্যে দ্বীনকল পেপার্স ইস্যু করা হয় ও ইস্যু করার ০৬ মাসের মধ্যে দ্বীনকল ট্রান্সক্রিপ্টের জন্য আবেদন করা যাবো না ]

পুড়ে/ নষ্ট/ ছিড়ে গেলে
যদি কোন কারণবশত পাপার্স পুড়ে যায়, নষ্ট হয়ে যায়, চিড়ে যায় তখন যদি তার অংশ বিশেষ আপনার কাছে থাকে তখন থানায় জিডি ও পেপারে বিজ্ঞাপন না দিলেও চলবে।
তখন আবেদন ফরমের সাথে সেই অবশিষ্ট অংশ গুলো জমা দিলেও চলবে।
[ সনদে ও নম্বরপত্রের অংশবিশেষে নাম, রোল নম্বর, কেন্দ্র, পাশের বিভাগ ও সন, জন্ম তারিখ ও পরীক্ষার নাম না থাকলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। আর বিদেশি নাগরিককে ব্যাংক ড্রাফটসহ নিজ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। ]

কত খরচ হবে? :
ঢাকা বোর্ড : দ্বীনকল নম্বরফর্দ /সনদ / প্রবেশপত্র ফি – ৫০০৳
চট্টগ্রাম বোর্ড : দ্বীনকল প্রবেশপত্র ফি – ১৫০৳
দ্বীনকল নম্বরফর্দ ফি – ২০০৳
দ্বীনকল সনদপত্র ফি – ৩০০৳
সিলেট বোর্ড : দ্বীনকল রেজিষ্টেশন ফি – ৬০০৳
[ চট্টগ্রাম বোর্ডের ক্ষেত্রে, পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রদানের ১৫ দিন পর বোর্ডে আবেদন করা যাবে এবং ০৩ দিনের মধ্যে পেতে চাইলে অতিরিক্ত ২০০৳ টাকা জমা দিতে হবে ]

Related Content