জনপ্রশাসনের শূন্য পদে সাড়ে তিন লাখ নিয়োগের পরিকল্পনা

জনপ্রশাসনের শূন্য পদে সাড়ে তিন লাখ নিয়োগের পরিকল্পনা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জনসেবা সাবলীল ও গণমুখী করতে জনপ্রশাসনের শূন্য পদে সাড়ে তিন লাখ লোক নিয়োগ দেয়ার পরিকল্পনা করেছে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, বর্তমানে প্রশাসনে তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ পদ শূন্য রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমরা অধিকাংশ শূন্য পদে নিয়োগ দিতে পদক্ষেপ নিয়েছি।

বিকাশ একাউন্টে ফ্রি ১৫০ টাকা বোনাস নিয়ে নিন !!নতুন বিকাশ অ্যাপ থেকে নিজের একাউন্ট খুলুন মিনিটেই, শুধুমাত্র জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে। কোথাও যেতে হবে না! আর অ্যাপ থেকে একাউন্ট খুলে প্রথম লগ ইনে পাবেন ১০০ টাকা ইনস্ট্যান্ট বোনাস! - প্রথম বার ২৫ টাকা রিচার্জে ৫০ টাকা ইনস্ট্যান্ট বোনাস Bkash App Download Link

govt logo 1 আসছে আরও ২০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ -প্রথম আলো

আওয়ামী লীগের নির্বাচনী মেনোফেস্টতে পরবর্তী পাচঁ বছরে দেশের জিডিপি ১০ শতাংশ এবং এ সময়ের মধ্যে ১ কোটি ২৮ লাখ লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী দলের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির উল্লেখ করে বলেন, নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সারাদেশে একশত অর্থনৈতিক জোন প্রতিষ্ঠা এবং বিভিন্ন মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, এ সকল অর্থনৈতিক জোন ও মেগা প্রকল্পে বিপুলসংখ্যক লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। সে কারণেই সরকারের মেয়াদের মধ্যে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্র অতিক্রম করবে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, দলের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ি সকল সেক্টরে সুশাসন নিশ্চিত করা হবে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দেখানো হবে। প্রধানমন্ত্রীর বার্তা পরিস্কার, প্রশাসন দুর্নীতির উর্ধে থেকে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের বেতন ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে, ফলে দুর্নীতি করার কোন সুয়োগ নেই। এই বার্তা প্রশাসনের তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। আমরা সরকারি প্রশাসনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং প্রশাসন দুর্নীতিমুক্ত করতে চাই। আমরা এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছি, যেখানে প্রত্যেকে কোন বাধা ছাড়াই তার কাঙ্খিত সেবা পেতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়ে সংসদের আসন্ন অধিবেশনে আলোচনা করা হবে। আগামী ৩০ জানুয়ারি সংসদ অধিবেশন বসছে। সংসদে এ বিষয়টি আলোচনা হবে। তিনি বলেন, সরকার ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে জ্ঞান ও প্রযুক্তি ভিত্তিক একটি মধ্য আয়ের দেশ করতে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে পৌঁছতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বিগত দশ বছরে সরকার গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশ শিক্ষা, জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং মাথাপিছু আয়সহ সকল আর্থসামাজিক সূচকে উল্লেখযোগ্য অগগতি হয়েছে।

দেশের সরকারি অফিস, মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরসমূহে সাড়ে তিন লাখের বেশি পদ শূন্য রয়েছে। এসব পদ পূরণের লক্ষ্যে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

রবিবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য মোরশেদ আলমের এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের পক্ষে প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের সরকারি অফিস, মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরসমূহে শূন্য পদের সংখ্যা তিন লাখ ৫৯ হাজার ২৬১টি।

সরকারি দলের সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজীর অপর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে ইসমাত আরা সাদেক বলেন, প্রথম শ্রেণিতে (৯ম থেকে তদূর্ধ্ব) শূন্য পদের সংখ্যা ৪৮ হাজার ২৪৬টি, দ্বিতীয় শ্রেণিতে (১০ থেকে ১২তম গ্রেড) শূন্য পদের সংখ্যা ৫৪ হাজার ২৯৪টি, তৃতীয় শ্রেণিতে (১৩ থেকে ১৭তম গ্রেড) শূন্য পদের সংখ্যা এক লাখ ৮২ হাজার ৭৩৭টি এবং চতুর্থ শ্রেণিতে (১৮ থেকে ২০তম গ্রেড) শূন্য পদের সংখ্যা ৭৩ হাজার ৯৮৪টি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শূন্য পদে লোক নিয়োগ একটি চলমান প্রক্রিয়া। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং এর অধীন সংস্থাসমূহের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি কর্মকমিশনের মাধ্যমে ৮ম, ৯ম ও ১০ থেকে ১২ম গ্রেডের শূন্য পদে জনবল নিয়োগ করা হয়ে থাকে। ১৩ থেকে ২০ গ্রেডের (৩য় ও ৪র্থ শ্রেণী) পদে স্ব স্ব মন্ত্রণালয়, বিভাগ দপ্তর ও সংস্থা তাদের নিয়োগ বিধি অনুযায়ী নিয়োগ দিয়ে থাকে।

Related Content