শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন জি এম কাদের

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের। বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) সংসদ অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ দাবি করেন।

জি এম কাদের বলেন, ‘মার্চ থেকে স্কুল-কলেজ বন্ধ। অটোপাস চালু করা হয়েছে। অফিস আদালাত বন্ধ করা হচ্ছে না। শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার যৌক্তিকতা দেখি না। পরীক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রেখে অটোপাস মেধাবীদের প্রতি অবিচার করা হচ্ছে। যারা ক্লাশ করতে চান তাদের জন্য খুলে দেওয়া উচিত। যারা পরীক্ষা দিতে চান তাদের পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত। দায় দায়িত্ব আছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে।’

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন জি এম কাদের
জি এম কাদের

তিনি বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ, কিন্তু টিউশন ফি আদায় করা হচ্ছে। এ বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। ছাড় দেওয়া উচিত।’

শিক্ষার সব খবর সবার আগে জানতে DailyResultBD এর ইউটিউব চ্যানেলের সাথেই থাকুন। আমদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন YouTube Channel

সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোকে এমপিওভুক্ত করার দাবি জানান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে মাদ্রাসা শিক্ষাকে মূলধারার সঙ্গে করা হয়েছে। ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোকে শুধু মাসিক সামান্য অর্থ দেওয়া হয়। সাধারণ প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয়করণ করা হয়েছে। ইবতেদায়ি মাদ্রাসাকেও জাতীয়করণের আওতায় না আনা হলেও এমপিওভুক্ত করা উচিত।’

করোনাভাইরাসের পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘সামনে শীত আসছে। সারা পৃথিবীতে প্রকোপ বাড়ছে। দেশেও বাড়ছে। মৃত্যুও বাড়ছে। সরকারের তরফ থেকে প্রস্তুত। বেশিরভাগ রোগী বাসায় বা বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেই বললেই চলে। বিশেষ করে মফস্বলে ব্যবস্থা নেই। এখনই সরকারি হাসপাতালে সুযোগ সৃষ্টি না করলে শীতে প্রাণহানি বেড়ে যাবে। অননুমোদিতভাবে হাসপাতাল চলছে। মানুষ প্রতারিত হচ্ছে। একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে এধরনের একটি প্রতিষ্ঠানে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ বিষয়গুলোতে দৃষ্টি দেবে।’

জিএম কাদের আরও বলেন, ‘চিনিকলগুলো যেকোনও কারণে হোক, মৌসুমের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে না। শ্রমিক কর্মচারীরা মনে করছে বন্ধ করে দেওয়া হবে। বন্ধ হলে খাদ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। কয়েক লাখ মানুষেরও জীবন জীবিকা জড়িত। এগুলো চালু রাখা দরকার।’

নিত্যপণ্য অস্থির করে দাম বাড়ানো হচ্ছে। বাজার নাগালের বাইরে চলে গেলে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আলুর ফলন আগের বছরের চেয়ে বেশি হয়েছে। কিন্তু দাম বেড়েছে। ঘাটতির কথা নয়।’

Related Content
DailyResultBD এর শিক্ষা সংক্রান্ত সকল তথ্য পেতে আমদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন YouTube Channel