শিক্ষাবর্ষ নিয়ে তিন পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে

শিক্ষাবর্ষ নিয়ে তিন পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসেই হবে এ বছরের বার্ষিক পরীক্ষা। সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করতে তিন ধরনের বিকল্প পরিকল্পনা তৈরি করছেন বিশেষজ্ঞরা। সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া গেলে কমপক্ষে ৭০ কার্যদিবস পাঠদান করা সম্ভব বলে তারা মনে করছেন। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে বিলম্ব হতে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে। তাই ৭০ দিনের পাশাপাশি ৫০ ও ৩০ দিন কার্যদিবস ধরে পৃথক তিন ধরনের সিলেবাস তৈরি করা হচ্ছে।

৭০ দিন সময় পেলে সিলেবাসের কোন অংশটুকু পড়ানো হবে, ৫০ দিন পেলে কতটুকু পড়ানো যেতে পারে এবং ৩০ দিন সময় পেলে গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয়গুলো পড়াতে হবে, তা নিয়েই এই তিন পরিকল্পনা। মাধ্যমিক পর্যায়ের দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞরা পাঠ্যবই বিশ্নেষণ করে এ তিন ধরনের প্রস্তাব তৈরি করছেন। এরপর এসব প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

শিক্ষাবর্ষ নিয়ে তিন পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে

শিক্ষার সব খবর সবার আগে জানতে DailyResultBD এর ইউটিউব চ্যানেলের সাথেই থাকুন। আমদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন YouTube Channel নতুন বিকাশ অ্যাপ থেকে নিজের একাউন্ট খুলুন মিনিটেই, শুধুমাত্র জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে। কোথাও যেতে হবে না! আর অ্যাপ থেকে একাউন্ট খুলে প্রথম লগ ইনে পাবেন ১০০ টাকা ইনস্ট্যান্ট বোনাস!সাথে আছে আরো অ্যাপ অফার: - প্রথম বার ২৫ টাকা রিচার্জে ৫০ টাকা ইনস্ট্যান্ট বোনাস .সর্বমোট ১৫০ টাকা বোনাস পাবেন একজন বিকাশ গ্রাহক। এছাড়া যারা একাউন্ট খুলেছেন তারাও বিকাশ এপ ডাউনলোড করে প্রথম প্রথম লগ ইনে পাবেন ১০০ টাকা ইনস্ট্যান্ট বোনাস! Bkash App Download Link

শিক্ষার এই ‘রিকভারি প্ল্যান’ (পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা) চূড়ান্ত করতে গতকাল বুধবার এনসিটিবিতে দু’দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু হয়েছে। কর্মশালায় মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। আজ বৃহস্পতিবার এ কর্মশালা শেষ হবে।

জানতে চাইলে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, কারিকুলাম ও সিলেবাসের নানা সংক্ষিপ্তরূপ তারা করছেন। পুরো বছরের পাঠ পরিকল্পনা এখন রি-ডিজাইন করা হচ্ছে। কবে নাগাদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হবে তার ওপর নির্ভর করে পৃথক পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তারা কেবল বিকল্প নানা পাঠ পরিকল্পনা সাজিয়ে দেবেন। স্কুল খোলার পর এক মাস পেলে কী পড়ানো হবে, দুই মাস সময় পেলে কী পড়ানো হবে, তা নিয়েই এ পরিকল্পনা। তারা চাইছেন, ডিসেম্বরের মধ্যে বর্তমান শিক্ষাবর্ষ শেষ করতে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক জিয়াউল হক বলেন, সংক্ষিপ্ত সিলেবাস করার কারণে গুরুত্বপূর্ণ যে অংশগুলো এই শিক্ষাবর্ষে পড়ানো সম্ভব হবে না, পরবর্তী শ্রেণিতে আগামী বছর সিলেবাসের সেই অংশটুকু অত্যাবশ্যকীয় পাঠ হিসেবে পড়ানো হবে। এতে করে শিক্ষার্থীদের দক্ষতার কোনো ঘাটতি হবে না।

সেপ্টেম্ব্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে স্কুল খোলা সম্ভব হলে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস পড়িয়ে বার্ষিক পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। বর্তমান সিলেবাসের যে অংশটুকু গুরুত্বপূর্ণ সেগুলো রেখে বাকিগুলো বাদ দেওয়া হবে। ডিসেম্বরের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব না হলে অটো পাসের মাধ্যমে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করা হবে।

অন্যদিকে, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) প্রাথমিকের রিকভারি প্ল্যান তৈরি করেছে। বাংলাদেশ পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিট (বেডু) তৈরি করেছে মাধ্যমিকের রিকভারি প্ল্যান। পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতেই এনসিটিবিতে কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রতিটি শ্রেণির ‘কারিকুলাম ম্যাপিং’ করে রিকভারি প্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে।
এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন গতকাল বলেছেন, প্রাথমিক স্তরে এখনই অটো পাস দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই। ডিসেম্বরের আগে স্কুল খোলা কিছুতেই সম্ভব না হলে সর্বশেষ বিকল্প হিসেবে অটো পাস দেওয়ার বিষয়টি ভাবা হবে।

তিনি বলেন, আগামী মাসে (সেপ্টেম্বরে) স্কুল খুললে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পিইসি পরীক্ষা হবে। তবে অক্টোবর-নভেম্বর মাসে স্কুল খোলা হলে নিজ নিজ স্কুলে এমসিকিউ ৫০ নম্বর ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। ডিসেম্বরে স্কুল খোলা হলে প্রাথমিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সর্বশেষ বিকল্প হিসেবে অটো পাস দেওয়ার কথা ভাববে।

Grameenphone এর মাইজিপি এপ ডাউনলোড করে জিতে নিন ফ্রি ইন্টারনেট এবং ফ্রি পয়েন্ট MyGP App Download Now DailyResultBD এর শিক্ষা সংক্রান্ত সকল তথ্য পেতে আমদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন YouTube Channel

জেএসসি পরীক্ষা বাতিল এবং এইচএসসি পরীক্ষার কাল্পনিক তারিখ সংক্রান্ত বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় গতকাল গণমাধ্যমে এক বক্তব্য পাঠিয়েছে। এতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ বছরের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা হচ্ছে না মর্মে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এতে জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে।Three Plan For Education Academic Year সমকাল

Related Content