২০২০ সালের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ডাউনলোড | রমজান মাসের ক্যালেন্ডার

২০২০ সালের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ডাউনলোড করুন।  রমজান মাসের ক্যালেন্ডার। বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখা গেলে আগামী ২৫ এপ্রিল থেকে রোজা শুরু হবে।Download Sehri and Iftar schedule for 2020 The calendar of the month of Ramadan

আজ রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের বিস্তারিত সময়সূচি নিয়ে আলোচনা করা হবে। ২০২০ সালের রমজান মাস শুরু হবে ২৫ এপ্রিল ২০২০ থেকে। আপনাদের সুবিধার্থে এখনে রমজান মাসের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।

২০১৯ সালের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ডাউনলোড | রমজান মাসের ক্যালেন্ডার
সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ডাউনলোড | রমজান মাসের ক্যালেন্ডার

১৪৪১ হিজরী মাসের অর্থাৎ ইংরেজি ২০২০ সালের রমজান মাসের ক্যালেন্ডার প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। ২৫ এপ্রিল থেকে শুরু হবে রোজা। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রকাশিত সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী ২০২০

বিকাশ অ্যাপ ইন্সটল করলেই ১০০ টাকা বোনাস! নতুন বিকাশ অ্যাপ থেকে নিজের একাউন্ট খুলুন মিনিটেই, শুধুমাত্র জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে। কোথাও যেতে হবে না! আর অ্যাপ থেকে একাউন্ট খুলে প্রথম লগ ইনে পাবেন ১০০ টাকা ইনস্ট্যান্ট বোনাস! সাথে আছে আরো অ্যাপ অফার: - প্রথম বার ২৫ টাকা রিচার্জে ৫০ টাকা ইনস্ট্যান্ট বোনাস .সর্বমোট ১৫০ টাকা বোনাস পাবেন একজন বিকাশ গ্রাহক। এছাড়া যারা আগে একাউন্ট খুলেছেন তারাও বিকাশ এপ ডাউনলোড করে প্রথম প্রথম লগ ইনে পাবেন ১০০ টাকা ইনস্ট্যান্ট বোনাস! Bkash App Download Link

ইসলামিক ফাউণ্ডেশন কর্তৃক ঢাকা জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২০

২০২০ সালের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ডাউনলোড

শুরু হলো সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র মাহে রমজান। রমজানের চাঁদ দেখা যাওয়ায় আজ এশার নামাজের পর মসজিদে মসজিদে তারাবি নামাজ আদায় করবেন মুসল্লিরা। আজ থেকেই সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্য এবং বিশ্বের অনেক দেশে রোজা পালন করছেন মুসলমানরা। একদিন পর মঙ্গলবার থেকে বাংলাদেশে রোজা শুরু হচ্ছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৯ থেকে ৩০ দিন রোজা পালন শেষে মুসলমানরা পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন।

ঢাকা জেলার সাথে অন্যান্য জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়ের পার্থক্য ২০২০
২০১৯ সালের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ডাউনলোড | রমজান মাসের ক্যালেন্ডার

সকল জেলার রমজানের ক্যালেন্ডার/ সেহরি ও ইফতারের ক্যালেন্ডার ২০২০

রমযান মাস আল্লাহর রহমতের মাস। রমহমত, বরকত আর মাগফিরাত নিয়েই রমযান মাস। মহান আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘আমি পবিত্র আল-কুরআন রমযান মাসে নাজিল করেছি’। রমযান মাসের এত গুরুত্ব , এত মাহাত্ন্য যে, শুধু এই মাসে কুরআন নাজিল হয়েছে সে জন্য। অন্য কোন কারনে নয়। রমযান মাস অন্য ১১ টি মাসের মত না। রমযান মাসে রোজা রাখা ফরয। ফরয হচ্ছে অবশ্য কর্তব্য। এক জন মুসলমানকে অবশ্যই অবশ্যই রোযা রাখতে হয়। না হলে সে কাফির হয়ে যায় ।মানে অবিশ্বাসীদের দলে সে অন্তর্ভুক্ত হয়। মুমিন ব্যক্তি তারাই যারা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সব করতে পারে। সন্তুষ্টি মানে সকল ভাল কাজ করা।

শান্তির মাস হচ্ছে রমযান মাস। রোজা রাখলে মনে প্রশান্তি আসে। ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায় করলে যেমন মনে প্রশান্তি আসে। ঠিক তেমনি রমযান মাসে রোজা রাখলে মন শান্তিতে থাকে।

শিক্ষা সংক্রান্ত সকল তথ্য পেতে আমদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন YouTube Channel

রোযা হচ্ছে ঢাল স্বরূপ। জাহান্নামে আগুন যখন ব্যক্তিকে গ্রাস করতে চাইবে তখন কেবল রোজাই জাহান্নামের আগুন থেকে তাকে বাঁচাতে পারে। কাউকে তীর ছুঁড়া হলে সে যেমন ঢাল কে ব্যবহার করে নিজেকে বাঁচায়। এবং তীরকে প্রতিরোধ করে ঠিক তেমনি রোজা ও জাহান্নামের আগুনকে প্রতিরোধ করে। আর জাহান্নামের আগুন দুনিয়ার আগুনের ৭০/৭১ গূণ বেশি শক্তিশালী। বেশি ক্ষমতাধর।

Related Content